নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সাভারে লায়লা আক্তার ওরফে বৃষ্টি নামে এক নারীর বিরুদ্ধে একাধিক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী হৃদয় নামের এক যুবক তার নিরাপত্তার জন্য সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, লায়লা আক্তার সুন্দর চেহারা ও কথাবার্তার মাধ্যমে সহজেই ছেলেদের আকৃষ্ট করেন। পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্নভাবে অর্থ হাতিয়ে নেন। গোপন সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে পূর্বে একাধিক বিয়ে ও দাম্পত্য সম্পর্কের অভিযোগ রয়েছে।
হৃদয়ের দাবি, তিনি সাভারের রাজ ফুলবাড়িয়া এলাকায় বসবাসকালে লায়লা আক্তারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। একপর্যায়ে লায়লা আক্তার তাকে বিয়েতে বাধ্য করেন। প্রায় এক বছর সংসার করার পর তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে দেরি হলে মামলা ও গুমের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী আরও জানান, পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন লায়লা আক্তারের আগেও একাধিক বিয়ে ছিল। এসব বিষয় জানার পর তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ কারণে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
হৃদয়ের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৪ তারিখ শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে তাকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর নিজের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি সাভার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এ বিষয়ে হৃদয় জানান, লায়লা আক্তারের পরিবারের সদস্যরাও বিষয়টিতে জড়িত থাকতে পারেন বলে তার ধারণা। তিনি বলেন, “তার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনিও একই ধরনের আচরণ করেন। তখন বুঝতে পারি, পুরো পরিবারটি হয়তো যৌথভাবে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগগুলো এখনও তদন্তাধীন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী হৃদয় দাবি করেছেন, এটি ঘটনার প্রথম পর্ব মাত্র। তিনি ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করবেন বলে জানান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তার দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
মন্তব্য করুন