আবু রায়হান, মণিরামপুর (যশোর)
যশোর-৫ মণিরামপুর আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক বলেছেন, রাজগঞ্জ বাজারকে দ্রুত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে রাজগঞ্জসহ পুরো মনিরামপুর উপজেলায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।
সোমবার ১০নং মশ্বিমনগর ইউনিয়নের পারখাজুরা বাজার, বেলতলা বাজার ও চাকলা বাজার, ১১নং চালুয়াহাটি ইউনিয়নের শয়লা বাজার ও নেংগুড়াহাট বাজার, ১২নং শ্যামকুড় ইউনিয়নের চিনেটোলা বাজার এবং ১৪নং দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের দূর্বাডাঙ্গা বাজার ও শ্যামনগর বাজার, ১৭নং মনোহরপুর ইউনিয়নের তে-মাথা মোড়ে সাধারণ জনগণ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন মনিরামপুরের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এ্যাড. গাজী এনামুল হক।
এ সময় এমপি গাজী এনামুল হক বলেন, মণিরামপুর বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তর উপজেলা হওয়াতে রাষ্টীয় বরাদ্দ যথেষ্ট না, রাজগঞ্জ বাজার তথা পশ্চিম অঞ্চলের পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন ও গ্রাম গুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও আইনশৃঙ্খলা কাঠামো শক্তিশালী না থাকায় নানা সমস্যা তৈরি হয়। পূর্ণাঙ্গ থানা প্রতিষ্ঠা হলে ২ টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হবে, মাদক পাচারকারী ও অপরাধ দমনে গতি আসবে এবং ব্যবসায়ীরা নিরাপদ পরিবেশ পাবেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে কাজ শুরু হবে। বাজারভিত্তিক চাঁদাবাজি ও দখলবাজির অভিযোগ কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জনগণের প্রত্যাশা মতবিনিময় সভায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এলাকার জরাজীর্ণ সড়ক সংস্কার ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান। নির্বাচনের পরপরই এমপির এমন সরাসরি জনসম্পৃক্ততায় আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা। তারা মনে করছেন, মাঠপর্যায়ে এই ধারাবাহিক যোগাযোগ থাকলে মণিরামপুরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সত্যিকারের গতি ফিরবে।
মন্তব্য করুন