স্টাফ রিপোর্টার: নান্নু মিয়া
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং প্রথমবারের মতো সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী ঘোষিত ‘বিএনসিসি ডে’ গত ২৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে দেশব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। সুশৃঙ্খল ও দক্ষ নাগরিক গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে দিবসটি পালন করে সংস্থাটি।
দিবসটির সূচনায় ফজরের নামাজের পর বিএনসিসির উত্তরোত্তর অগ্রগতি ও দেশের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর বিএনসিসি সদর দপ্তরে মহাপরিচালক কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিএনসিসির সকল পর্যায়ের অফিসার, সামরিক প্রশিক্ষক এবং ক্যাডেটবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
বিএনসিসি দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সামরিক উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা সচিব এবং বিএনসিসির মহাপরিচালক পৃথক বাণী প্রদান করেন। বাণীতে তাঁরা দেশ গঠনে ক্যাডেটদের অসামান্য অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও সক্রিয়ভাবে দেশের সেবায় নিয়োজিত হওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য যে, ‘টোটাল পিপলস ওয়ার’ বা জনযুদ্ধের ধারণায় দেশের তরুণ প্রজন্ম ও ছাত্রসমাজকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ এই বাহিনী প্রতিষ্ঠা করা হয়। দেশের যেকোনো সংকট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে তৎকালীন সময়ে গৃহীত এই দূরদর্শী চিন্তা আজ সফল প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনসিসি তরুণদের সুশৃঙ্খল, দেশপ্রেমিক ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এ বছরের কর্মসূচিগুলো বিএনসিসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সঈদ আল মসউদ,বিজিবিএমএস, পিজিবিএমএস, এনডিসি, পিএসসি-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। তার নেতৃত্বে ক্যাডেটরা বর্ণাঢ্য র্যালি ও বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে দিবসটিকে স্মরণীয় করে তোলেন।
মন্তব্য করুন