স্টাফ রিপোর্টার: নান্নু মিয়া
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের জনপ্রিয় সদস্য ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাজা মিয়ার বিরুদ্ধে এক গভীর ও সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এলাকায় তাঁর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রভাব খাটিয়ে দুইবার চেয়ারম্যান পদ দখলকারী একটি চক্র এবং তাদের অনুসারীরা রাজা মিয়াকে ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘অস্ত্রধারী’ হিসেবে প্রমাণ করতে ন্যাক্কারজনক অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজা মিয়া আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রতিপক্ষ গোষ্ঠী আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তারা বুঝতে পেরেছে যে, সুষ্ঠু নির্বাচনে রাজা মিয়ার বিজয় সুনিশ্চিত। ফলে তাঁকে মাঠ থেকে সরাতে এবং জনগণের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করতে ‘মারধর ও ভাঙচুরের এক সাজানো নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজা মিয়ার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে তাঁর বিরোধী পক্ষ যারা বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সুবিধাভোগী ছিল—তারাই এই অপপ্রচারের মূল হোতা।
অভিযোগ উঠেছে যে, রাজা মিয়াকে ফাঁসাতে হারেজ আলী ও তাঁর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা জবানবন্দি দিতে বাধ্য করা হয়েছে। এমনকি এই সাজানো জবানবন্দিগুলো কিছু নীতিহীন ও ‘হলুদ সাংবাদিক’ এবং ভূঁইফোঁড় ফেসবুক পেজ ও অনলাইন পোর্টালে পরিকল্পিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে। তথাকথিত এই ভিডিওগুলো যারা ছড়িয়ে দিচ্ছে, তারা সবাই রাজা মিয়ার নির্বাচনী প্রতিপক্ষের সক্রিয় কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে একটি মিথ্যাকে সত্য বানানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রাজা মিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র মজুদের যে কাল্পনিক তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তাকে ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন’ ও ‘হাস্যকর’ বলে অভিহিত করেছেন এলাকার সচেতন নাগরিকরা। বিগত সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে যেসব রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোকে এখন পুনরায় ঢাল হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, রাজা মিয়া একজন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির জনপ্রতিনিধি বলেই বারবার ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছেন।
এ বিষয়ে রাজা মিয়া অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানিয়েছেন যে, ঘটনার সময় তিনি নিজের বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন এবং এর অকাট্য প্রমাণ সিসিটিভি ফুটেজে সংরক্ষিত আছে। তিনি বলেন, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। মাদ্রাসার সামনের সড়কে যারা অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়েছে, তাদের পরিচয় সিসিটিভিতে স্পষ্ট। মূলত মাদক ব্যবসায় জড়িত একটি চক্র এবং আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী গোষ্ঠী আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করতে এই নোংরা খেলায় মেতেছে।
বানিয়াজুরী ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা মনে করেন, নির্বাচনের আগে একজন জনপ্রিয় নেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক অপবাদ দেওয়া গণতান্ত্রিক রীতিনীতির পরিপন্থী। তারা এই সাজানো নাটকের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন। তারা স্পষ্ট করে বলেছেন, ষড়যন্ত্র করে বা গুজব ছড়িয়ে রাজা মিয়ার প্রতি জনগণের ভালোবাসা দমানো যাবে না
মন্তব্য করুন